ভবিষ্যতে পড়াশোনা কী পুরোপুরি অনলাইন নির্ভর হয়ে যাবে?অনলাইন বা ডিজিটাল মাধ্যমে বিকল্প উপায়ে পাঠদান চলছে।

30th April 2020 News
ভবিষ্যতে পড়াশোনা কী পুরোপুরি অনলাইন নির্ভর হয়ে যাবে?অনলাইন বা ডিজিটাল মাধ্যমে বিকল্প উপায়ে পাঠদান চলছে।


করোনা ভাইরাসের কারণে সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মতো প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি দেওয়া হয়েছে। তাই বলে ক্লাস বা পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ নেই। অনলাইন বা ডিজিটাল মাধ্যমে বিকল্প উপায়ে পাঠদান চলছে।

অনলাইনভিত্তিক পাঠদান কার্যক্রমের ধারণাটা পুরনো হলেও আগে খুব সীমিত পরিসরে ছিল। করোনা পরিস্থিতির কারণে ঘরবন্দী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বা শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখতে এখন এ পদ্ধতি ব্যাপক পরিসরে প্রয়োগ হচ্ছে। অনেকেই এ পদ্ধতির সঙ্গে নতুনভাবে পরিচিত হয়েছে এবং খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। অনেকেই এই অনলাইন পদ্ধতির সঙ্গে অভ্যস্ত। সাধারণ অবস্থায় আমরা জানি, কোনো কিছু জনপ্রিয় বা গ্রহণযোগ্য হয়ে গেলে সেটাই টেকসই বা স্থায়ী হয়ে যায়। যদি তা-ই হয়, তাহলে বলা যায়, করোনা পরবর্তী অবস্থায়ও পাঠদান কার্যক্রম আগের চেয়ে অনেক বড় ও ব্যাপক পরিসরে চলমান থাকবে। বিশেষজ্ঞদেরও একই মত।

অনেকের মত, শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি অনলাইন নির্ভর হয়ে গেলে খরচ কমে আসবে, আর গ্রীষ্মের ছুটিতে স্কুল বন্ধ থাকার সময়টাতেও শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সঙ্গে কম-বেশি যুক্ত থাকতে পারবে।

শিক্ষাবিদ স্টিভেন ম্যাককিনন বলেন, স্যোশাল মিডিয়া বা অনলাইন এখন জীবনের বড় একটি অংশ হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে আগামীতে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে? শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য এটা জরুরী যে কিভাবে তারা অনলাইনকে শিক্ষার কাজে লাগাবে, কিভাবে অনলাইনের সূত্রগুলো থেকে শিখবে’

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইনসাইড হায়ার এডের লেখক ও নিউ হয়র্ক ইউনিভার্সিটির সাবেক ভাইস-ডিন রবার্ট উবেল বলেন, ‌‘অনলাইন শিক্ষা আজকাল খুব স্বাভাবিক ও ইতিবাচক, বিশেষ করে তাদের জন্য যাদের পক্ষে নিজের কাজ সামলিয়ে ক্যাম্পাসে গিয়ে ক্লাস করাটা অসম্ভব। অনলাইন পদ্ধতি হওয়ায় যে কেউ রাতেও তার সুবিধামতো সময়ে ক্লাস করতে পারেন, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বা রিসোর্স সংগ্রহ করতে পারেন। কর্মজীবি অসংখ্য শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়েছে অনলাইন।’





Others News

কলকাতা থেকে ফিরে গ্রামে করোনা-ত্রাণ দিলেন তৃণমূল নেতার ভাই, তাঁরই ধরা পড়ল করোনা

কলকাতা থেকে ফিরে গ্রামে করোনা-ত্রাণ দিলেন তৃণমূল নেতার ভাই, তাঁরই ধরা পড়ল করোনা


 

প্রতীকি ছবি

  • অভিযোগ, ৮ এপ্রিল থেকে প্রায় ১ সপ্তাহ, জ্বর আসার আগে পর্যন্ত গোটা এলাকায় চরে বেড়িয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখা গিয়েছে, খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে, বিডিও অফিসে!

রবিবারই পূর্ব বর্ধমানে খোঁজ মিলেছে প্রথম করোনা রোগীর। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের ৪৩ বছর বয়সী এক প্রৌঢ়ের দেহে মিলেছে করোনার সংক্রমণ। আর তার পর থেকেই আতঙ্কে কাঁটা হয়ে রয়েছে গোটা এলাকা। আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, এনেছেন স্থানীয় মানুষ। অভিযোগ, কলকাতা থেকে ফিরে স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্দেশ না-মেনে গোটা এলাকা চরে বেড়িয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিসে। এমনকী তৃণমূলের হয়ে করোনা ত্রাণ বিলি করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।

গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গত ৮ এপ্রিল লকডাউন ভেঙে কলকাতা থেকে খণ্ডঘোষে ফেরেন ওই ব্যক্তি। কলকাতার মেটিয়াবুরুজে সূচিশিল্পের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তাঁর গ্রামে ফেরার খবরে বাড়িতে আসেন আশা কর্মীরা। তাঁকে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেন। কিন্তু সেসবে কান দেননি প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ভাই।

অভিযোগ, ৮ এপ্রিল থেকে প্রায় ১ সপ্তাহ, জ্বর আসার আগে পর্যন্ত গোটা এলাকায় চরে বেড়িয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখা গিয়েছে, খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে, বিডিও অফিসে। এমনকী মোটরসাইকেল নিয়ে কালনায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতেও গিয়েছিলেন তিনি। গ্রামবাসীদের দাবি, সেই সময় খণ্ডঘোষে তৃণমূলের করোনা-ত্রাণ বিলির কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।

দলের নেতার ভাইয়ের এই ধরণের কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা এলাকা। রবিবার খবর চাউর হওয়ার পর এদিন সেখানে গিয়ে গ্রামবাসীদের তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূল ব্লক সভাপতি অপার্থিব ইসলাম। এর পর গোটা গ্রাম সিল করে দেয় প্রশাসন। সিল করা হয়েছে খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ও। ওই ব্যক্তির পরিবার ও প্রতিবেশী-সহ এখনো পর্যন্ত ৩১ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।